ক্রোটিক এন্টারাইটিস
প্রজাতি
হাঁস, মুরগি, কবুতর, টার্কি
রোগের কারন
ক্লোসট্রিডিয়াম পারফ্রিনজেন্স নামক ব্যাকটেরিয়া
রোগের লক্ষণ
• তীব্র ঝিমুনি
• কালো বা লালচে রংয়ের পায়খানা
• হঠাৎ মৃত্যু
রোগ প্রতিরোধে করণীয়
• জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলা
সম্ভাব্য চিকিৎসা
• Vita ADE Vet
• Glucolyte Vet
• Hepatovet/Hepafit Vet
• Ferovet
• Prozyme Vet
নেক্রোটিক এন্টারাইটিস:-
এটি মুরগীর ক্ষুদ্রান্তের এক প্রকার তীব্র রোগ । যা Clostridium
perfringens নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনের ফলে হয়ে থাকে। এটি ছোয়াচে রোগ নয়।
সংক্রমণ:-
১। এই জীবাণু মাটি এবং পানিতে থাকে।
২। সুস্থ মুরগীর অন্ত্রনালী এবং পায়খানাতেও পাওয়া যায়।
৩। জীবাণুর মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে গেলে সংক্রমণ ঘটে।
৪। মুরগীতে কক্সিডিওসিস হলে অন্ত্রনালীর ভিতরে ঘা হয় যার ভিতরে এই জীবাণু খুব দ্রুত বাড়তে পারে।
লক্ষণ:-
১। ঝিমানো, দুর্বলতা, চোখ বন্ধ রাখা, উসখো-খুসকো পালক, পাতলা পায়খানা, কমলা রঙয়ের পায়খানা, পায়নার সাথে খাবারের দানা পাওয়া যায়।
পোস্টমর্টেম লক্ষণ:-
১। অন্ত্রনলীর ভিতরে গ্যাস থাকে।
২। কলিজা বড় হয়ে যেতে পারে।
৩। অন্ত্রনালীর দেয়াল পাতলা হয়ে যায়।
৪। ভিতরে কমলা রঙয়ের মিউকাস দেখা যেতে পারে।
৫। “Turkish toweling” দেখা যায়।
প্রতিকার:-
১। জৈব নিরপত্তা ।
২। জীবাণুমুক্ত খাবার পানি সরবরাহ।
৩। পানিতে জৈব এসিড ব্যবহার করা।
৪। মাঝে মাঝে প্রোবায়োটিক ব্যবহার করা।
৫। উন্নত লিটার ব্যবস্তাপনা।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন